লাঠিতে ভর করে এক বুড়ী ঘর থেকে বেড়িয়ে এল।
ভয় পেয়ে হ্যানস্ আর গ্রিটের হাত থেকে জিনিস
মাটিতে পড়ল।বুড়ী মাথা নেড়ে বলল-“সোনামণিরা কোথা থেকে এসেছ”?
ভিতরে আস আমি তোমাদেরথাকতে দেব।
আসলে সে ছিল ডাইনী।বাচ্চাদের ধরে রান্না করে খেত।
আর সেদিনটা ছিল তার মহাউতসব!
এটা জার্মানির গ্রিম ব্রাদারদের রুপকথা।
এরকম অনেক গল্প তারা লোকগাঁথা থেকে সংগ্রহ করেছেন।
সান্ড্রা বুলক(আমার প্রিয় অভিনেত্রী)অভিনয় করেছেন “ম্যাজিক পাওয়ারে”।
ছবিটা দারুন লেগেছে!আধুনিক ডাইনীদের(witch)নিয়ে ছবিটি।
দেখুন!
Practical magic "what if i'm right"
আজকাল আধুনিক ডাইনীদের বিভিন্ন সংগঠন রয়েছে।
দেখুন তাদের বিজ্ঞাপন- Latest Modern Witch Schedule
Looking forward to catching up with you all over the next few months at MBS’s and workshops. Here is my latest schedule….
May 8-9 Brisbane
Private Consults on May 8 – WAITING LIST
Living Magically- Goddesses and Witchcraft Workshop May 9- ONE PLACE AVAILABLE
Info and bookings: www.themodernwitch.com or call 0400345113
এটা তাদের অনেকটা সখ।সুংমিং বা স্কি করার মত!
যেহেতু সাধীন তাই এটাও সখ হতে পারে।চলমান সমাজকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখানোও একটা উদ্দেশ্য।
এটা এরা গোপন রাখে।বিভিন্ন বৈষম্যের ভয়ে।
বৃটিশ নৃতত্ববিদ,মিশরবিদ ও নারীবাদি মার্গারেট ম্যুরে(১৮৬৩-১৯৬৩) ১৯২১এ তার বই(The witch cult in western Europe)লেখেন যে তিনি ডাইনীদের উতসবে অংশ নিয়ে ছিলেন।পূর্ণিমা রাতে বারজন নারী গোল হয়ে প্রাচীন উর্বরার দেবীর পূজা করে।প্রাচীন ইউরোপের গ্রামে এর প্রচলন ছিল।
ক্যাথলিক চার্চ সেজন্যই এসবকে তাদের ধর্মের প্রতিদ্বন্দী মনে করত।সেজন্যই তাদের শয়তান বলত।
গল্প প্রচলিত যে ডাইনীরা দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় এমন একটা রিচুয়াল করেছিল বলেই
হিটলার ইংল্যান্ড আক্রমন করতে পারেনি।
অতীতে অনাবৃষ্টি,মহামারী,সন্তানের মৃত্যু,রোগশোক এসব দূর্ঘটনাকে অলৌকিক শক্তির কাজ মনে করত।
পানি ছিটিয়ে জমিতে নাচত-বৃষ্টির জন্য।
বিভিন্ন আচার ও রীতি পালন করে অলৌকিক শক্তির কাছে চেয়ে নেয়াই ম্যাজিক বা যাদু।
সেটা যদি পজিটিভ(ভাল)কিছুর জন্য যেমন কাউকে রোগ থেকে সারিয়ে তোলার জন্য,
যুদ্ধ জয়ের জন্য,সন্তান জন্য এমন হয় সেটা সাদা ম্যাজিক(white magic)।
সেদিন টিভিতে দেখলাম দক্ষিন আফ্রিকার ফুটবল খেলোয়াররা মেডিসিনম্যানের(যাদুকর)কাছে
গেছে বিভিন্ন রিচুয়াল পালন করতে,যাতে ওরা খেলায় জেতে!
কালো ম্যাজিক(black magic)ব্যবহার করা হয় কারও অনিষ্ট করতে।
ফসল নষ্ট,কারও রোগ বা মৃত্যুর জন্য এমন কাজে।
নিউজিল্যান্ড,ইন্দোনেশিয়া,মালয়েশিয়ার গভীর অরণ্য থেকে ইউরোপ প্রাচীন আমেরিকার রেড ইন্ডিয়ান,ক্যারিবিয়ান অঞ্চলসহ পৃথিবীর অনেক দেশেই ডাইনীতত্ব ও ম্যাজিক একসাথেই দেখা হয়।
প্রাচীন ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সংস্কৃতির সহঅবস্থান ছিল।
কার্নাভাল,ডোপিং(পবিত্র পানি ছিটিয়ে খৃষ্টান করা,আমাদের যেমন মুসলমানী)জন্ম,মৃত্যুর সময় বিভিন্ন
আচার অনুষ্ঠান।
ইউরোপে ১৫শতক থেকে ১৭শতক পর্যন্ত ডাইনীদের শুধু ম্যাজিকের জন্যই শুধু দোষ দেয়া হতনা,
তারা শয়তানের উপাসক বলেও মনেকরা হত। ইহুদী,খৃষ্টান ও মুসলিম ধর্মে শয়তান বিশ্বাস করে।
সাধারন মানুষ মনে করত ডাইনীরা সাদা ও কালো ম্যাজিক জানে।পরে অভিজাত, বিচারক ও ধর্মগুরুরা
ডাইনীরা শয়তানের উপাসক-এই ধারনার বিস্তার ঘটায়।
এই ধারনাই পরে সাধারন মানুষ বিশ্বাস করে।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই যাদু বিদ্যার প্রচলন রয়েছে।
প্রাচীন গ্রীক ও রোমে ধর্মগুরুরাও যাদুবিদ্যার চর্চা করত।
কিছু মহিলারাও প্রেমিকদের বশে আনার সম্মোহন জাতীয় পানীয় বা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার
জন্য বিষ মেশানো পানীয় বানাত।
মানুষ বিশ্বাস করত ডাইনীরা যে কোন পশুতে রুপান্তরিত হতে পারে বা উড়তে(হ্যারি পটারে যা দেখা যায়)পারে।
৫০০-১৫০০শতকে ইউরোপে লোকেরা কোনবিষয়ে পরামর্শের দরকার পরলে এ ব্যপারে বিজ্ঞ বৃদ্ধাদের
কাছে যেত উপদেশ নেয়ার জন্য।অসুখ বিসুখে পরলে চিকিতসার জন্য যেত বিভিন্ন লতাপাতার রস আনতে।
মনে করত তারা যে কোন দূর্ঘটনা থেকে বাঁচাতে পারে।
এসব বৃদ্ধারা সমাজের বিভিন্ন সংকটে উপকারে আসত।তারা যেহেতু মানুষের উপকার করত সেজন্য সমাজে
তাদের গ্রহনযোগ্যতা ছিল।
ধর্মগুরুরা মনে করতনা তারা সত্যি উড়তে পারে।অভিজাতরা ডাইনীদের কার্যকলাপ বিশ্বাস করতনা।
কিন্তু সাধারনেরা ম্যাজিক বিশ্বাস করত।
খৃষ্টধর্মের প্রচারের শুরুতেই ইউরোপে এর অতটা প্রসার ঘটেনি।
তখন অন্যান্য ধর্মও(প্রকৃতি পূজা,দেব-দেবীপূজা)প্রচলিত ছিল।
অগাস্টিন(৩৫৪-৪৩০খৃষ্টাব্দের আর্চবিশপ ও দার্শনিক)খৃষ্টান ধর্মে প্রবল প্রতিপত্তির অধিকারী এই ধর্মগুরু
অন্য ধর্মের দেবতাকে শয়তান বলত।।সেই শয়তানের মাথায় শিং,পিঠে পাখা,পেছনে লেজ্(কেলটিক দেবতা ও গ্রীক দেবতা প্যানের সংমিশ্রন।।
দ্বাদশ শতাব্দীতে আরব ও গ্রীক বই সোলেমানের চাবি,ম্যাজিক আলকেমি যখন অনুবাদ হল।
মানুষ মনে করল এই জ্ঞানের সাহায্য নিয়ে সোনা বানানো যাবে।।সেজন্য তাদের নিম্নশ্রেনীর শয়তান বা দৈত্যের দরকার।যাদুকররা তখন শয়তানের উপাসনা শুরু করল।এভাবেই ম্যাজিক ও শয়তানের পূজা একসাথে শুরু হল।
চার্চ তখনই সিদ্ধান্ত নিল,যারা শয়তানের পূজা করবে তাদের কঠিন শাস্তি!পোপের শয়তান ধরার অনুসন্ধানের দল কাজ শুরু করল।স্প্যানিশ ধর্মগুরু “আলফনসো দি স্পিনা” বললেল তের কোটি শয়তান বা দৈত্য আছে।
পোপের শয়তান অনুসন্ধানের দল ডাইনীদেরও অন্য ধর্মের পূজক বলে ধরা শুরু করল।
কারণ ওরা ডাইনী উতসব(witch Sabbath)পালন করে।
পোপের দল তখন ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পরেছে।তারা বলছে ডাইনীদেরও শাস্তি দেয়া হোক।
হেনরিক ক্লামার নামে এক ধর্মগুরু ১৪৮৬তে ডাইনী শিকারের ওপর এক বই প্রকাশ করলেন।এই বই চার্চ থেকে বিপুল পরিমানে ছাপিয়ে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে দেয়া হয়।
সাধারন লোকেরা চার্চ থেকে প্রকাশিত ধর্মগুরুদের তত্ব বুঝতে পারতনা। তারা শয়তান পূজা নিয়ে মাথাও ঘামাতনা।
কিন্তু যখন তাদের গরুটার হঠাত অসুখ হত বা পড়শীর সঙ্গে ঝগড়া হবার পরদিনই তার বাচ্চাটা মারা যেত।সেটা যাদু বা ম্যাজিকের কাজ মনে করত।তারপর পড়শী ডাইনীবিদ্যার চর্চা করে বলে পোপের লোকের
কাছে অভিযোগ দিয়ে আসত।এরপর ডাইনীদের বিরুদ্ধে ধর্মগুরুদের বিচারকাজ শুরু হত।
চার্চের পুরোহিত ও সাধুরা ডাইনীদের বিরুদ্ধে সাধারন লোকদের উসকিয়ে দিয়ে ওদের থেকে দূরে
থাকতে বলত।
প্রথম দিকে চার্চেরগুরুরা ডাইনীদের বিচার করে শাস্তি দিয়ে কখনও বা খৃস্টানধর্মে দিক্ষীত করতেন।
১৫৫০এর দিকে সমাজপতিরা তাদের বিচার করে কঠিন শাস্তি দিতে শুরু করল।
ষোড়শ শতাব্দীর প্রথম দিকে প্রোটেষ্টানরা রা রোমানক্যাথলিক আলাদা হয়ে নিজেদের সংস্কার করে।
রোমান ক্যাথলিকরা তাদের নিজেদের দলে টানতে ব্যর্থ হয়ে তাদের শয়তানের উপাসক আখ্যা দেয়।
অপর দিকে প্রোটেষ্টানরাও ক্যাথলিকচার্চে শয়তানের উপাসনা হয় বলে প্রচার করে।
১৬১০-১৬৩০পর্যন্ত জার্মানে সবচেয়ে বড় ডাইনীশিকার, বিচার ও মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়।
১৫০০শতকের দিকে আমেরিকা থেকে প্রচুর সোনারুপা ইউরোপে আসল।
ফলে সবকিছুর দাম বেড়ে গেল, শ্রমিকদের বেতন কমে গেল।
গরীব আরও গরীব হল।ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারের ফলে একদল লোক হঠাত ধনী হল।
সমাজ অশান্ত হল,ধনী ও গরীবের বৈষম্য প্রকট হল।
সমাজপতিরা সমাজে শান্তি আনতে দোষীদের(culprit)খুঁজে পেল।
আগামীতে সমাপ্য…
ভালো লাগল। বানানের পুলিশ আকাশ মালিক, 😛 তাই সাবধান থাকবেন। 🙂
@আফরোজা আলম,
ভাল আছেন!
আমার মেইল পেয়েছেন আশাকরি।
ভাল লাগার জন্য ধন্যবাদ!
@লাইজু নাহার,
হা,মেইল পেয়েছি।কদিন যাবত আমি বেশ অসুস্থ ,তাই অনেক মেইলের জবাব দেয়া হচ্ছেনা। আপনাকে দেব।
@আফরোজা আলম,
হায় হায় রে। আমি তো মোল্লা মানুষ, মসজিদ তক আমার দৌড়। ঐ দৌড়ের সীমানাটা একটু বাড়ানোর জন্যে বানান নিয়ে মানুষকে খোঁচাখোঁচি করি নিজের স্বার্থেই। বেতনভুক্ত পুলিশ হলে তো অনেক আগেই জিজ্ঞেস করতাম, কুলদা রায় এর একাত্তরের কিংবদন্তী রৌশন আরা প্রবন্ধে ও মন্তব্যে রৌশন আরা নামটি মোট ছয় ভাবে বানান করা হলো কেন?
রৌশেনারা
রৌশনরা
রৌশন আরা
রওশন আরা
রোশেনারা।
রোশনারা
তবে বানান নিয়ে এই বকবকানি, কচকচানি, বকরবকর (আল্লাহই জানে ওগুলো বাংলা শব্দ কি না) যা’ই বলেন আমার কিন্তু অনেক লাভ হয়েছে। ‘মুক্তমনা’ তো আমার কাছে সায়ী বাবার মাজার- ময় তেরে দরপে আয়া হো, ঝুলি ভরকে যায়ুঙ্গা—-ইয়া মরকে যায়ুঙ্গা–
@আকাশ মালিক,
আমার মায়ের নাম রওশন আরা। আসলে তাই সত্যই নাম টাও ভুল লিখলে দুঃখ হয়।
বানানের প্রতি সচেতন থাকা উচিত আমাদের সবার। আসলে আমি নিজেই কতো শত ভুল করি,তার আবার এক কানা আর এক অন্ধকে পথ দেখানো আর কী 😛
লেখাটা ভাল লাগলো তবে,
ডাইনীদের সাথে আমাদের (ৎ) এর উপর এমন শাস্তি কেন বুঝলামনা।
@আকাশ মালিক,
এজন্য দুটো কারণ পেয়েছি: (অনধিকারে প্রবেশ করে জবাব দিলাম)
১) বানানের ব্যাপারে মনে হয় উনি চখাহা-র অনুসারী।
২) এও হতে পারে যে, কী-বোর্ডের কোথায় খণ্ড ত (ৎ) আছে খুঁজে পাচ্ছেন না।
@মাহফুজ,
আপনার প্রশ্নের উত্তর আকাশ ভাইয়ের কাছে দিয়েছি।
পড়া ও মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ!
@লাইজু নাহার,
আকাশে ভাইয়ের কাছে গেলাম, নিচের জবাবও দেখলাম।
অভ্র দিয়ে (ৎ) লিখতে গেলে ডাইনীদের মত হয় তাই!
বলতে পারেন আমার অপারগতা!
কিন্তু ‘অভ্র দিয়ে (ৎ) লিখতে গেলে ডাইনীদের মত হয় তাই!’ এই কথাটা মানতে পারল না।
বলতে পারেন আমার অপারগতা!- আপনি গত ১৪ মার্চ আফরোজ আলমকে বললেন- অভ্র এখনও অতটা রপ্ত করতে পারিনি, চেষ্টা করছি। এতদিনেও রপ্ত করতে পারলেন না। এটাই কি আপনার অপারগতা? নাকি আন্তরিক চেষ্টার অভাব?
আমি তো জানি ডাইনীরা ৎ এর মত এ্যাকরা ব্যাকরা লাঠি হাতে নিয়ে ঘোরাঘুরি, মন্ত্র আওরায়।
ভালো থাকবেন। আরো লিখুন- পড়বো।
@আকাশ মালিক,
অভ্র দিয়ে (ৎ) লিখতে গেলে ডাইনীদের মত হয় তাই!
বলতে পারেন আমার অপারগতা!
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ!
@লাইজু নাহার,
ভালো লেগেছে লেখাটা।আমি কিন্তু নারীবাদের সাথে যোগাযোগ খুজে পাইনি। 🙂
আশা করছি পরের লেখাতে বোঝা যাবে। অপেক্ষায় রইলাম।
অভ্রতে “ৎ” লিখতে প্রথমে t লিখে ` ( কিবোর্ডের 1 এর বাঁ পাশের কি’টা) এটা দুই বার চাপুন।
@সাইফুল ইসলাম,
ধন্যবাদ!
এবার বোধ হয় পারব!
@লাইজু নাহার,
বিষয়টি আমিও শেখানোর চিন্তা করেছিলাম, কিন্তু ভাইসাব মনে কিছু লইয়েন যদি বলে বসেন তাই সেই চিন্তা বাদ দিয়েছি। ওপরে গিয়ে আমার দেয়া মন্তব্য দেইখেন।
হঠাৎ করে ডাকিনী বিদ্যা চর্চার দিকে ঝুকলেন কেন?
@মাহফুজ,
হঠাৎ করে ডাকিনী বিদ্যার দিকে ঝুকিনি।
ইউরোপে আছি অনেকদিন এদের কালচার,ইতিহাসে এসব জড়িয়ে
আছে।সেদিন টিভিতে একটা মেয়ের প্রোগ্রাম দেখলাম।
ও বলল ও Witch।
সেভাবে সেজেও এসেছে।
মনে হয় অতীতে ডাইনীদের ওপর যে অন্যায় করা হয়েছে।
তারই প্রতিবাদ করে ওরা।
এক ধরনের নারীবাদ বলতে পারেন।
পরিবেশের প্রভাব পরেছে বলতে পারেন।
আর ওরাতো কারও অপকার করছেনা।
না এখন পর্যন্ত আমি witch হইনি।
তবে ওদের সাপোর্ট করি।
একজন মেয়ে হিসেবে।
@লাইজু নাহার,
প্রশ্ন করেছি বলেই তো আপনার লেখার শানে নজুলটা জানতে পারলাম। ডাকিনী নিয়ে একটা সুন্দর মজাদার গল্প লিখে ফেলেন।
আমি কতদিন অদ্ভুত ভূতুরে গল্প শুনি না। সেই যে ছোটবেলায় দাদী নানীর কাছে শুনতাম। হায়রে, সেই ছোট্ট কাল যদি আবার ফিরে পেতাম।
আপনাকে আরেকটি কথা বলে রাখি- আপনার ‘পিতা’ পড়তে গিয়ে কেমন যেন আবেগপ্রবণ হয়ে উঠেছিলাম। চোখের কোণে অশ্রু জমা হয়েছিল পিতার কথা স্মরণ হওয়ায়।
এবার কিন্তু মাকে নিয়ে লিখবেন।
@মাহফুজ,
আপনার আন্তরিক কথাগুলোর জন্য ধন্যবাদ!
নিবেদিত পাঠক আপনি!
আপনার বাবাকে নিয়েও লেখুন না!
কোকুন থেকে বের হয়ে আসুন।
একটু নিজের কথা বলুন!
@লাইজু নাহার,
হ্যাঁ, নিবেদিত পাঠকই হতে চাই। নিবেদিত লেখক হতে চাই না।
@লাইজু নাহার,
বিষয়টি আমিও শেখানোর চিন্তা করেছিলাম, কিন্তু ভাইসাব মনে কিছু লইয়েন না যদি বলে বসেন, তাই সেই চিন্তা বাদ দিয়েছি। ওপরে গিয়ে আমার দেয়া মন্তব্য দেইখেন।
হঠাৎ করে ডাকিনী বিদ্যা চর্চার দিকে ঝুকলেন কেন?
ওদের দেখলে মনে হয়-
সরগের অপ্সরীরা ধরায়,
শুয়ে আছে আলিঙ্গনে-
ঠোঁটে ঠোঁট মগ্ন আলাপনে।
আপনার এ জাতীয় লেখাই তো বেশি ভালো লাগে।
ভালো লাগল। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
@অভিজিৎ,
অনেক ধন্যবাদ!
আরো বিশদ ব্যাখ্যা আসুক। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
এই লিঙ্কটা দেখতে পারেন।
@ব্লাডি সিভিলিয়ান,
ধন্যবাদ পড়ার ও মন্তব্যের জন্য!